কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কৃত্রিম      
বুদ্ধিমত্তা মানব ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ সাফল্য।
 কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইন্টারনেটের সবচেয়ে ব্যবহৃত টুলগুলির মধ্যে একটি। 

১.জটিল প্রশ্নের উত্তর দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা যেতে পারে ।

২.ছবি তোলা বা ছবি সম্পাদনা করার  জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা  ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩. নোট, আর্টিকেল বা ডকুমেন্ট ইত্যাদি লেখার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাব্যবহার করা যেতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হল ইন্টার্নেটের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত টুলগুলির মধ্যে একটি। এটি খারাপ এবং খারাপ উভয়ই হতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ধরণ পরিবর্তন করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এর ভালো ব্যবহার যেমন আপনার কাজ দ্রুত এবং আরও আনুষ্ঠানিকভাবে করার জন্য। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এর খারাপ ব্যবহার যেমন নকল ভিডিও, ছবি তৈরি করা অথবা কারো ভয়েস কপি করার জন্য যা
সমাজের ক্ষতি করতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিঃসন্দেহে ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত টুলগুলির মধ্যে একটি। এর ব্যবহার জিনিসগুলিকে আরও দ্রুত করে তোলে এবং নিঃসন্দেহে ভাল এবং খারাপ জিনিসগুলিকে আরও সহজ করে তোলে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হল এমন একটি টুল যা এটি যা করতে চায় তা করবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url